বাংলাদেশ

আজ শুরু বৃহত্তম জমায়েত চরমোনাই মাহফিল কাজ করছে ২০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী

মাহমুদ আল হাসান-

 

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির তত্বাবধানে পরিচালিত তিনদিন ব্যাপী ফাল্গুনের বার্ষিক মাহফিলের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ ২৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার বা’দ জোহর চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ রেজাউল করীমের উদ্বোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে। এরপর ২৯ ফেব্রুয়ারী শনিবার সকালের আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের মাহফিল কার্যক্রম। বরিশালের চরমোনাই ইউনিয়নে অবস্থিত জামিয়া রশিদিয়া আহসানাবাদ মদরাসা ময়দানে এ বাৎসরিক মাহফিলের তথা ফাল্গুনের মাহফিলের সার্বিক প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। ইতোমধ্যে প্রায় ৯০ ভাগ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাহফিলের কাজের সাথে সংশ্লিষ্টজন। চরমোনাই মাদরাসার নির্বাহী পরিচালক ও চরমোনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং চরমোনাই মাহফিলের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ এল.এম.টি (লাইট মাইক টেলিফোন) বিভাগের পরিচালক মুফতী সৈয়দ এছহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের জানিয়েছেন: নিঃশ্বার্থভাবে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্ঠির জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমে স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছেন প্রায় ২০ হাজারের একবৃহৎ স্বেচ্ছাসেবকদল। মোট পাঁচটি মাঠে প্রায় ১৩০ একর জায়গা জুড়ে মাহফিলে আগত মুসুল্লিদের জন্য সামিয়ানা টানানো এবং পাঁচটি মাঠ প্রস্তুত করার জন্য প্রতিটি মাঠে লাইট, মাইক, এবং টেলিফোন সংযোগ দেওয়া এবং পানির ব্যবস্থা করাসহ অনেক কার্যক্রমই সম্পন্ন করার দরকার হয় এই মাহফিলে। যা বেশিরভাগই স্বেচ্ছাসেবকদল সম্পন্ন করে থাকেন। এত বড় আয়োজনের নিরাপত্তা বা সার্বিক সতর্কতা অবলম্বনের ব্যপারে জানতে চাইলে এল এম টি পরিচালকন বলেন, আমাদের রয়েছে একদল নিজস্ব প্রশিক্ষিত এবং চৌকস স্বেচ্ছাসেবক ও নিরাপত্তা বাহিনী। যারা বেশ সতর্কতা এবং স্বচ্ছতার সাথে মাহফিলের নিরাপত্তা ও যে কোন সমস্যার সমাধানে সুশৃঙ্খলভাবে কাজ করে থাকেন।বৃহৎ এই মাহফিলে সরকারী বা প্রশাসনিক কোন সহযোগিতা আসে কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাহফিল শুরু হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য উপস্থিত থাকেন তবে সেটা অবশ্যই পর্যাপ্ত নয়। চরমোনাই মাহফিল কতৃপক্ষ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানিয়েছেন, মাহফিল প্রস্তুতির প্রায় সকল কাজই সম্পন্ন হওয়ার পথে আলহামদুলিল্লাহ। ইতোমধ্যেই মাঠে লোকজন আসা শুরু হয়েছে। দুর-দুরন্ত থেকে লোকজন এসে মাঠে জায়গা করে নিচ্ছেন। প্রায় পাঁচ মাঠে এবারের লোকজন বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি। সবগুলো মাঠের কাজ প্রায় শেষ বলেও তিনি জানান। একদিকে সামিয়ানা টানানো, আর একদিকে লাইট মাইকের তার টানানোসহ প্রায় বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছেন বিশেষ স্বেচ্ছাসেবকদল। তিনি আরো জানান এবার লৈকজন আরো বেশি উপস্থিতির আশা করছি,যা দেশের ২য় বৃহত্তম জমায়েত হবে ইনশাআল্লাহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close