

সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম বলেন, সংস্কারের বিপক্ষে থাকা দলের সঙ্গে জোটে যাবে না এনসিপি। আমাদের মৌলিক দাবিগুলোর সঙ্গে যারা কাছাকাছি আছে, এ রকম দলের সঙ্গে যদি ঐক্যবদ্ধ হতে হয় বা কোনো ধরনের সমঝোতায় যেতে হয়, তাহলে সেটা আমরা বিবেচনায় রাখব। এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, কোনো একটি দলের চাপে সরকার বারবার জুলাই সনদের টেক্সট পরিবর্তন করেছে। বাস্তবায়ন আদেশের প্রথম খসড়ায় যেভাবে ২৭০ দিন পর সংস্কার প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হওয়ার বিধান ছিল, আমরা সেটিকে সমর্থন করি। এর ব্যত্যয় হলে সেই আদেশ সমর্থন করব কি না, তা পুনর্বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন, যেদিন জুলাই সনদ স্বাক্ষর হয়েছে, সেদিনই জাতীয় অনৈক্যের সূচনা হয়েছে। কোনো ধরনের বাছবিচার ছাড়াই সনদে স্বাক্ষর করে তারা জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তবে এখনো সুযোগ আছে ঐক্যের।
আইন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে বিএনপিকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ এনসিপির : আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে বিএনপিকে সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে এনসিপি। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ২০ অনুচ্ছেদ সংশোধন প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানতে চেয়ে দলটি আইন উপদেষ্টার কাছে চিঠিও পাঠিয়েছে। গতকাল এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিটি আইন উপদেষ্টার কার্যালয়ে পাঠানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন নিয়ে বিএনপিকে দেওয়া আইন উপদেষ্টার ব্যক্তিগত আশ্বাস রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতার পরিপন্থি।








