কাতারের প্রধানমন্ত্রী: ৪ দেশের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা


আরব উপসাগর ও সংলগ্ন আন্তর্জাতিক নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করেছে কাতার। এ লক্ষ্যে লেবানন, জর্ডান, তুরস্ক ও মিসরের শীর্ষ কূটনীতিবিদ ও সরকারপ্রধানদের সাথে দফায় দফায় ফোনালাপ করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল-থানী।
ফোনালাপগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিশদভাবে পর্যালোচনা করা হয়। সামরিক সংঘাত এড়াতে কীভাবে যৌথ কূটনৈতিক পদক্ষেপ জোরদার করা যায়, তা নিয়ে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সাথে আলোচনা করেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী। এতে কূটনৈতিক উদ্যোগগুলোর সমন্বয় ঘটিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মুক্ত নৌ-চলাচল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ফোনালাপে যুক্ত হওয়া শীর্ষ নেতৃবৃন্দ
- লেবানন: দেশটির প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এবং পররাষ্ট্র ও প্রবাসী মন্ত্রী ইউসেফ রাজির সাথে কথা বলেন তিনি।
- জর্ডান: জর্ডানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদির সাথে আলোচনা করা হয়।
- তুরস্ক: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সাথে পৃথক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
- মিসর: মিসরের পররাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রী বদর আবদেলআতির সাথে কথা বলেন কাতার প্রধানমন্ত্রী।
- আলোচনার বিষয়বস্তু: মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাত রোধ, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং যৌথ কূটনৈতিক পদক্ষেপ জোরদারের পরিকল্পনা।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান দৃঢ়তার সাথে জানান, সামুদ্রিক নাব্যতা ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক আলোচনার বিকল্প নেই। কাতার সবসময়ই সংলাপের মাধ্যমে যেকোনো আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিশ্বাসী বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।
এছাড়া লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালামের সাথে কথা বলার সময় কাতার প্রধানমন্ত্রী লেবাননের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও দেশটির জনগণের প্রতি কাতারের অবিচল সংহতি প্রকাশ করেন। একই সাথে এসব বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুমাত্রিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় নিয়েও ফোনালাপগুলোতে আলোচনা করা হয়েছে।







