ওমান উপকূলে ভারতীয় জাহাজে ড্রোন হামলায় নিহত ১, উদ্ধার ১৩ নাবিক


ওমানের লিমাহ উপকূলের কাছে ‘এমএসভি আল জুসুফি’ নামের একটি ভারতীয় পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবারের এই হামলায় জাহাজে থাকা এক ভারতীয় নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন। তবে ঘটনার পর উক্ত জলযানটিতে থাকা অপর ১৩ জন ভারতীয় নাবিককে ওমান কোস্ট গার্ডের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। গত মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য ও প্রাণহানির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। সোমবার(২ নভেম্বর) ওমানের লিমাহ উপকূলের কাছে ‘এমএসভি আল জুসুফি’ নামের পণ্যবাহী জাহাজটিতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে হামলা ও প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও নৌপথবিষয়ক মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার বিবরণ প্রকাশ করেন। তিনি জানান যে, ওমানের উপকূলীয় বাহিনী ১৩ জন নাবিককে সফলভাবে উদ্ধার করতে পারলেও গুজরাটের বাসিন্দা গন্ধর নাহিম আজিজ নামের এক নাবিক গুরুতর আঘাত পেয়ে শেষ পর্যন্ত মারা যান। বাণিজ্য জাহাজে এমন প্রাণহানির ঘটনায় ভারতের প্রশাসনিক মহলে শোকের পাশাপাশি নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও নৌপথবিষয়ক মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, “১৩ জন নাবিক নিরাপদে জাহাজ থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে, ওমানের কোস্ট গার্ড তাদের উদ্ধার।
বাণিজ্যিক জাহাজে ধারাবাহিকভাবে চালানো এসব হামলার তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ ব্যক্ত করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই গুরুত্বপূর্ণ জলসীমায় বেসামরিক অবকাঠামো ও চলাচলরত পণ্যবাহী জাহাজে এ ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছে দিল্লি। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অঞ্চলে এ ধরনের সহিংসতা বৃদ্ধি পায়, যাতে ইতিপূর্বেও ভারতের একাধিক নাবিকের প্রাণহানি ঘটেছে।








